• ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ৩০ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Cyclone Dana

রাজ্য

কিছু সময়ের মধ্যে ল্যান্ডফল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় দানার, নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী

আর কিছু সময়ের অপেক্ষা। কিছু সময়ের মধ্যে ল্যান্ডফল করতে চলেছে দানা। অসীম শক্তি নিয়ে ধেয়ে আসছে প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় দানা (Cyclone Dana)। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য সরকার। রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নবান্নে চালু করা হয়েছে হেল্প লাইন নম্বর। রাতভর নবান্নে থেকেই পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্নে থেকেই মুখ্যমন্ত্রী নজর রাখছেন পুরো পরিস্থিতির।ভয় পাবেন না কিন্তু সতর্ক থাকুন। ঘূর্ণিঝড় দানা নিয়ে রাজ্যবাসীকে অস্বস্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় নিয়ে সরকারের দেওয়া গাইডলাইন সাধারণ মানুষকে মেনে চলার পরামর্শ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় রাজ্য সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের বন্দোবস্ত করেছে। যে জেলাগুলিতে ঘূর্ণিঝড়ের ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কন্ট্রোলরুমে ছাড়াও উপস্থিত আছেন মুখ্য সচিব মনোজ পন্থ, ডিজি রাজীব কুমার, ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট দপ্তরের প্রধান সচিব শ্রী দুষ্যন্ত নারিয়ালা, ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট দপ্তরের বিশেষ সচিব প্রিয়াঙ্কা সিংলা প্রমুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক কি বলেছেন?মানুষের জীবন হল সবচেয়ে দামী। মানুষের জীবন আগে রক্ষা করতে হবে। স্কুলগুলি ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে সেই কারণেই। আমি আজ রাতে নবান্নেই থাকব। বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সকলে কাজ করবেন। সেই সঙ্গে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, স্বরাষ্ট্র সচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকেও পরিস্থিতির ওপর গভীরভাবে নজরদারি চালাতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্ন ও জেলায় জেলায় হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে রাজ্য সরকার। নবান্নের হেল্পলাইন নম্বর, ০৩৩-২২১৪৩৫২৬, আরেকটি হেল্পলাইন নম্বর হল ১০৭০।

অক্টোবর ২৪, ২০২৪
কলকাতা

১৯০ লোকাল ট্রেন বাতিল করল পূর্ব রেলের শিয়ালদহ ডিভিশন

শিয়ালদহ-ক্যানিং - ২৪সোনারপুর-ক্যানিং - ৭শিয়ালদহ - লক্ষ্মীকান্তপুর -২৫শিয়ালদহ-বজবজ - ২৯শিয়ালদহ - সোনারপুর - ১১সোনারপুর-বারুইপুর - ২শিয়ালদহ - বারুইপুর - ১৬শিয়ালদহ - নৈহাটি - ২লক্ষ্মীকান্তপুর - বারুইপুর - ৩শিয়ালদহ - ডায়মন্ড হারবার - ৩০লক্ষ্মীকান্তপুর - নামখানা - ১৯শিয়ালদহ-হাসনাবাদ - ২০সার্কুলার রেল - ২সব মিলিয়ে ১৯০ লোকাল আপাতত বাতিল করল পূর্ব রেলের শিয়ালদহ ডিভিশন।দীপক নিগম, শিয়ালদহ রেল ডিভিশন, DRM বলেন,কলকাতায় ঝড়ের সম্ভাবনা আছে৷ এমারজেন্সি কন্ট্রোল রুম খোলা হচ্ছে। একাধিক পাম্প নিয়ে আসা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে। বিভিন্ন স্টেশনের গাছ ট্রিম করা হয়েছে।স্টেশন বিল্ডিংয়েই যেন থাকেন যাত্রীরা৷ সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে৷ তার জন্য পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেমে ঘোষণা হবে৷ কেউ যেন প্ল্যাটফর্ম শেডে না থাকে।ক্যানিং, ডায়মন্ড হারবার, নামখানা, কাকদ্বীপে সিগন্যাল বিভাগের সিনিয়র আধিকারিকরা থাকবেন। এখানে মেডিক্যাল টিম থাকবে।মোটরম্যানদের বলা হয়েছে, হাওয়ার বেগ বুঝে কন্ট্রোল রুমে জানাতে৷ যাতে ট্রেন নিয়ন্ত্রণ করা যায়৷ বিজ্ঞাপন বোর্ড বারবার পরীক্ষা করা হয়েছে।শিয়ালদহ সাউথে আগামীকাল রাত আটটায় শেষ ট্রেন ছাড়বে৷ এরপর বন্ধ থাকবে ২৫ তারিখ সকাল দশটা অবধি৷ দক্ষিণ শাখার যে সব ট্রেন শিয়ালদহ আসবে তাদের প্রান্তিক স্টেশন থেকে শেষ ট্রেন সন্ধ্যা সাতটায় ছাড়বে৷ আবার পরের দিন সকাল নটায় ছাড়বে৷ ঝড়ের সময়ে কোনও ট্রেন লাইনে রাখা হবে না।সেন্ট্রাল কন্ট্রোল অফিস থেকে সব নজরদারি হবে৷কৌশিক মিত্র, মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক, পূর্ব রেল বলেন,১৯০ লোকাল ট্রেন বাতিল করা হচ্ছে৷ দক্ষিণ শাখায় সবচেয়ে বেশি লোকাল বাতিল থাকছে।দীপক নিগম, ডিআরএম জানিয়েছেন, কানেকটিভি যথাযথ রাখার জন্য রেল নিজে থেকেই কথা বলেছে ফোন প্রভাইডারদের সাথে৷ একটা হেল্পলাইন নাম্বার খোলা হচ্ছে৷ তবে আগামীকাল ট্রেন বন্ধ হবার আগে, যাত্রী চাহিদা দেখে অতিরিক্ত ট্রেন চালানো হবে।

অক্টোবর ২৪, ২০২৪
রাজ্য

কেন রাখা হয় ঘূর্ণি ঝড়ের নাম? এই তালিকায় কোন কোন দেশ রয়েছে?

বাংলা ও ওড়িষা উপকূল লন্ডভন্ড করতে দাঁনা বাঁধতে চলেছ দানা{ প্রবল আশঙ্কায় উপকূল অঞ্চলের বাসিন্দারা{ সতর্ক রাজ্য় সরকরাও{ ভারতের আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপটি সম্ভবত বুধবারের মধ্যে তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে এবং বৃহস্পতিবার রাতে উত্তর ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ঘূর্ণিঝড়টির নাম রাখা হয়েছে দানা।আইএমডি লিখেছে যে নিম্নচাপ মঙ্গলবার সকালের মধ্যে গভীর নিম্নচাপ এবং বুধবারের মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে, পরের দিন সকালে ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের কাছে যাওয়ার জন্য উত্তর-পশ্চিমে এগোবে। ঘূর্ণিঝড়টি বৃহস্পতিবার রাতে এবং শুক্রবার সকালে পুরী এবং সাগর দ্বীপের মধ্যে ল্যান্ডফল করবে বলে আশা করা হচ্ছে, ঝড়ের গতিবেগ হবে প্রতি ঘন্টায় ১২০ কিমি, এমনই পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের।আগস্টের শেষ দিকে আরব সাগরে ঘূর্ণিঝড় আসনার পর দুই মাসেরও কম সময়ের মধ্যে উত্তর ভারত মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড় দানা দ্বিতীয় ঘূর্ণিঝড়। আরবি ভাষায় দানা নামের অর্থ উদারতা এবং এই অঞ্চলে গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের নিয়ম অনুসারে কাতার এটি বেছে নিয়েছে। কীভাবে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয় এবং তাদের নাম বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে কোন নিয়ম অনুসরণ করা হয়?ঘূর্ণিঝড়ের নাম রাখে কারা?২০০০ সালে, WMO/ESCAP (বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা/ইউনাইটেড নেশনস ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশন ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক) নামক দেশগুলির একটি দল, যা বাংলাদেশ, ভারত, মালদ্বীপ, মায়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ড নিয়ে গঠিত, সিদ্ধান্ত নেয়। এই অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করে। প্রতিটি দেশ পরামর্শ পাঠানোর পর, WMO/ESCAP প্যানেল অন ট্রপিক্যাল সাইক্লোন (PTC) তালিকা চূড়ান্ত করেছে।WMO/ESCAP ২০১৮ সালে আরও পাঁচটি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ইরান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী এবং ইয়েমেন। ২০২০ সালের এপ্রিলে আইএমডি দ্বারা প্রকাশিত ১৬৯টি ঘূর্ণিঝড়ের নামের তালিকা এই দেশগুলি সরবরাহ করেছিল - ১৩টি দেশের প্রতিটি থেকে ১৩টি পরামর্শ।ঘূর্ণিঝড়ের নাম রাখার কারণ কী?ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ মানুষের পক্ষে মনে রাখা সহজ করে তোলে, সংখ্যা এবং প্রযুক্তিগত পদের বিপরীতে। সাধারণ মানুষ ছাড়াও, এটি বিজ্ঞানী, মিডিয়া, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকেও সাহায্য করে। একটি নাম দিয়ে, এটি স্বতন্ত্র ঘূর্ণিঝড় শনাক্ত করা, এর পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা, মানুষকে প্রস্তুত হতে এবং বিভ্রান্তি দূর করার জন্য দ্রুত সতর্কবার্তা প্রচার করা সহজ। একটি অঞ্চলে একাধিক সাইক্লোনিক সিস্টেম।

অক্টোবর ২৩, ২০২৪
রাজ্য

ঘূর্ণিঝড়ের প্রবল আশঙ্কা, চূড়ান্ত প্রস্তুতি রাজ্যের

ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়েছে রাজ্য সরকার। উপকূল অঞ্চলের ৫ জেলা সহ মোট ৭ জেলায় ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়ার প্রবল আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগেভাগে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে রাজ্য সরকারও। মঙ্গলবার ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সবরকম ভাবে সরকার প্রস্তুত রয়েছে সরকার। উপকূলের এলাকাগুলি থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে আনার কাজ চলছে। উপকূলবর্তী এলাকার পর্যটন কেন্দ্রগুলিতেও বাড়তি সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সমুদ্র তীরবর্তী এলাকাগুলিতে মাইকিং করছে প্রশাসনের কর্মীরা।ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায ইতিমধ্যেই রাজ্য ও জেলা স্তরে ২৪ ঘন্টার কন্ট্রোল রুম চালু করা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আধিকারিকদের সর্বক্ষণ পরিস্থিতির ওপর কড়া নজরদারি রাখবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আগামিকাল, বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত স্কুল এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছ। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কায় সতর্কতামূলক একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য সরকার। আগামী ২৩ অক্টোবর থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, হুগলি, হাওড়া এবং কলকাতায় সমস্ত স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আগামী ২৪ অক্টোবর রাত থেকে ২৫ অক্টোবর সকালের মধ্যে পুরী থেকে সাগরদ্বীপের মাঝে কোনও এক জায়গায় ল্যান্ডফল হতে পারে প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় দানার। ল্যান্ডফলের সময় ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়ার তুমুল সম্ভাবনা রয়েছে উপকূলের জেলাগুলিতে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়তে পারে শহর কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া ও ঝাড়গ্রামেও।

অক্টোবর ২৩, ২০২৪

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই আলোচনায় চোরবাগান! একই পুজোয় দু'বার খুঁটিপুজো কেন?

রথযাত্রার পর থেকেই দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বহু পুজো কমিটি খুঁটিপুজো সেরে ফেলেছে। তবে কলকাতার এক ঐতিহ্যবাহী পুজো এবার অন্য কারণে আলোচনায়। চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজোয় একই বছরে দ্বিতীয়বার খুঁটিপুজোর আয়োজন করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় কৌতূহল তৈরি হয়েছে।পুজো কমিটির বর্তমান সম্পাদক রাজকুমার সেওদার দাবি, কয়েক বছর আগে ক্লাব সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, সেই সময় পুরসভার জমি দখল করে ক্লাব তৈরি করা হয়েছিল। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক নোটিস দেওয়া হলেও কোনও পরিবর্তন হয়নি। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওই কাঠামো ভাঙার জন্য নোটিস জারি করা হয় বলে তাঁর দাবি।রাজকুমার সেওদার আরও দাবি, সেই পরিস্থিতির মধ্যেই প্রথম খুঁটিপুজো করা হয়েছিল। তবে তাঁর মতে, প্রচলিত নিয়ম মেনে সেই খুঁটিপুজো হয়নি। সাধারণত নির্দিষ্ট দিক মেনে খুঁটিপুজো করা হয়। শিল্পীর পরামর্শ এবং ধর্মীয় নিয়ম মেনে তাই নতুন করে দ্বিতীয়বার খুঁটিপুজোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বর্তমান পুজো কমিটির আরও অভিযোগ, প্রথম খুঁটিপুজোর সময় মণ্ডপের দেওয়ালে এমন কিছু চিত্র ব্যবহার করা হয়েছিল, যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। এই অভিযোগের জন্য তাঁরা আগের কমিটির ভূমিকার সমালোচনা করেছেন। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতিক্রিয়া এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।এবার পুজো কমিটিতে একাধিক পরিবর্তন হয়েছে। নতুন শিল্পী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন সুশান্ত শিবানী পাল। মণ্ডপের মূল ভাবনা এখনও প্রকাশ করা হয়নি। উদ্যোক্তাদের আশা, এ বছরের আয়োজনও কলকাতার অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠবে এবং বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর সমাগম হবে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ঋতুস্রাব চলাকালীনই জীবনের সেরা পারফরম্যান্স! ভারতীয় ক্রীড়াবিদের কীর্তিতে গর্বিত দেশ

ভারতের ভারোত্তোলক জ্ঞানেশ্বরী যাদব কমনওয়েলথ গেমসে অসাধারণ পারফরম্যান্স করে রুপোর পদক জিতেছেন। শুধু পদকই নয়, এই প্রতিযোগিতায় তিনি নিজের কেরিয়ারের সেরা পারফরম্যান্সও করেছেন। পরে তিনি জানান, প্রতিযোগিতার দিনই তাঁর ঋতুস্রাবের প্রথম দিন ছিল। সেই শারীরিক অস্বস্তির মধ্যেও তিনি দেশের জন্য লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন।মহিলাদের তিপ্পান্ন কেজি বিভাগে নেমে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী দেখায় জ্ঞানেশ্বরীকে। স্ন্যাচ বিভাগে তিনি প্রথমে আটাশি কেজি এবং পরে তিরানব্বই কেজি ওজন তোলেন। এই তিরানব্বই কেজি ছিল প্রতিযোগিতায় নতুন রেকর্ড। এরপর ক্লিন অ্যান্ড জার্ক বিভাগে তিনি একশো তিন, একশো চার এবং শেষ প্রচেষ্টায় একশো এগারো কেজি ওজন সফলভাবে তোলেন। সব মিলিয়ে তিনি মোট একশো নিরানব্বই কেজি ওজন তুলে রুপোর পদক নিশ্চিত করেন। সোনার লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত নাইজেরিয়ার প্রতিযোগীর কাছে পিছিয়ে পড়লেও তাঁর পারফরম্যান্স প্রশংসা কুড়িয়েছে।পদক জয়ের পর জ্ঞানেশ্বরী জানান, প্রতিযোগিতার দিনই তাঁর ঋতুস্রাব শুরু হয়েছিল। তিনি বলেন, শরীর কতটা সাড়া দেবে, তা নিয়ে তাঁর সংশয় ছিল। তবুও তিনি নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছেন এবং নিজের সেরা পারফরম্যান্স করতে পেরেছেন।জ্ঞানেশ্বরীর এই লড়াই শুধু একটি পদক জয়ের গল্প নয়, মানসিক দৃঢ়তা এবং আত্মবিশ্বাসেরও এক অনন্য উদাহরণ। শারীরিক অস্বস্তিকে উপেক্ষা করে দেশের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করার এই ঘটনা বহু তরুণীর কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি চিনের এক মহিলা ম্যারাথন দৌড়বিদও ঋতুস্রাব চলাকালীন প্রতিযোগিতা শেষ করে আলোচনায় এসেছিলেন। জ্ঞানেশ্বরীর এই সাফল্যও দেখিয়ে দিল, শারীরিক স্বাভাবিক পরিবর্তন কোনও নারীর স্বপ্ন বা সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।

জুলাই ২৯, ২০২৬
দেশ

গাড়ির মাইলেজ নিয়ে সব বিতর্কের মাঝেই বড় ঘোষণা! সংসদে স্পষ্ট জানাল কেন্দ্র

ইথানল মিশ্রিত পেট্রল ব্যবহার করলে গাড়ির মাইলেজ কমে যায় এবং ইঞ্জিনের ক্ষতি হয় এমন অভিযোগ গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন মহলে উঠেছে। এবার এই বিতর্ক নিয়ে সংসদে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নীতীন গড়করি। তিনি জানিয়েছেন, সরকারি পরীক্ষায় এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি যে ইথানল মিশ্রিত পেট্রল ব্যবহারের ফলে ইঞ্জিন বিকল হয় বা মাইলেজ কমে যায়।লোকসভায় লিখিত উত্তরে কেন্দ্র জানিয়েছে, ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি নিয়ে একাধিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, পরীক্ষাগারভিত্তিক বিশ্লেষণ এবং বাস্তব পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় ধরে পরীক্ষা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়েও এই জ্বালানি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সব পরীক্ষায় গাড়ির ইঞ্জিনের ক্ষতি বা মাইলেজ কমে যাওয়ার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে সরকারের দাবি।এর আগে এক সাংবাদিক দাবি করেছিলেন, সরকার নির্ধারিত ইথানল মিশ্রিত পেট্রল ব্যবহার করার পর তাঁর গাড়ির মাইলেজ অনেকটাই কমে গিয়েছে। সেই প্রসঙ্গে নীতীন গড়করি বলেছিলেন, সাধারণভাবে গাড়ির মালিকেরা নিজেরা সঠিকভাবে মাইলেজ পরিমাপ করতে পারেন না। তাঁর মতে, অনুমোদিত পরিষেবা কেন্দ্রের নির্দিষ্ট যন্ত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা করলেই প্রকৃত ফল জানা সম্ভব।কেন্দ্রের দাবি, কয়েক বছর ধরে দুই চাকা ও চার চাকার বিভিন্ন গাড়িতে এই জ্বালানির ব্যবহার পরীক্ষা করা হয়েছে। সেই পরীক্ষায় মাইলেজ কমে যাওয়া বা ইঞ্জিনের ক্ষতির কোনও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।অন্যদিকে, সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ইথানল মিশ্রিত পেট্রল নিয়ে এখনও অনেক গাড়ির মালিকের মধ্যে সংশয় রয়েছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, অনেকেই মনে করছেন এই জ্বালানি ব্যবহার করলে গাড়ির মাইলেজ কমতে পারে। যদিও এই আশঙ্কার সঙ্গে একমত নয় কেন্দ্র। সরকারের বক্তব্য, বর্তমান পর্যন্ত হওয়া বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ফলাফলে এমন কোনও অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়নি।

জুলাই ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ইসকনের রান্না, কিন্তু পড়ুয়াদের পাতে থাকবে ডিম! বড় সিদ্ধান্তে চমক

আগামী ১ আগস্ট থেকে রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। খাবার পরিবেশনের দায়িত্ব থাকবে ইসকনের হাতে। তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে পড়ুয়াদের ডিম থেকে বঞ্চিত হতে হবে না বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, ইসকনের দেওয়া নিরামিষ খাবারের পাশাপাশি আলাদা করে পড়ুয়াদের সেদ্ধ ডিম দেওয়া হবে।বুধবার নবান্নে সরকারি স্কুলগুলির জন্য একাধিক ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, এতদিন প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্তরে মিড ডে মিলের বরাদ্দে পার্থক্য ছিল। সেই বৈষম্য দূর করে এখন থেকে প্রাথমিক স্তরেও মাথাপিছু দশ টাকা বরাদ্দ করা হবে। আগামী ১ আগস্ট থেকেই নতুন এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ইসকন পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত নিরামিষ খাবার পরিবেশন করবে। পাশাপাশি পড়ুয়াদের প্রয়োজনীয় প্রোটিনের কথা মাথায় রেখে আলাদা করে সেদ্ধ ডিম দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সপ্তাহে এক দিন বা দুই দিন ডিম দেওয়া হবে বলে সরকার জানিয়েছে।এর আগে কলকাতার কয়েকটি স্কুলে পরীক্ষামূলকভাবে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। এবার সেই প্রকল্প রাজ্যের অন্যান্য জেলার সরকারি স্কুলেও চালু করা হবে। ইসকনকে মিড ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে নিরামিষ খাবার এবং প্রোটিনের ঘাটতি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। নতুন ঘোষণার পর সেই বিতর্ক অনেকটাই প্রশমিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।এ দিন মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, মিড ডে মিল রান্নার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের মাসিক ভাতা দুই হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে তিন হাজার টাকা করা হচ্ছে। আগামী ১ আগস্ট দুপুর বারোটায় এই নতুন প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
রাজ্য

বেতন, ডিএ, পেনশন— সবকিছুর আগে বড় রদবদল সপ্তম বেতন কমিশনে

রাজ্য সরকারের সপ্তম বেতন কমিশনে বড় পরিবর্তন করা হয়েছে। কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে অতনু চক্রবর্তীর পরিবর্তে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন আইএএস অফিসার নবীন প্রকাশকে। তবে চেয়ারম্যান পরিবর্তন হলেও কমিশনের কাজের পরিধি, শর্ত এবং নীতিতে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি।গত বাইশ জুলাই রাজ্য সরকার সপ্তম বেতন কমিশনের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছিল। তখন জানানো হয়েছিল, অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার এবং অর্থমন্ত্রকের প্রাক্তন সচিব অতনু চক্রবর্তী কমিশনের চেয়ারম্যান হবেন। কিন্তু মাত্র আট দিনের মধ্যেই সেই সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন নবীন প্রকাশ।রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন বেতন কমিশন এবং মহার্ঘ ভাতা নিয়ে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। সেই প্রেক্ষিতে নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে সরকারি কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা করা হয়। অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত মহার্ঘ ভাতা এক ধাক্কায় কুড়ি শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা করেন। একই দিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, খুব দ্রুত সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করা হবে। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কমিশন গঠন করা হয়েছে।এই কমিশনের দায়িত্ব হবে সরকারি, সরকার পোষিত এবং আধা সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামো, পদোন্নতি, পেনশন এবং মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত সুপারিশ করা। এছাড়া পেনশনভোগীদের ভাতা বৃদ্ধির বিষয়ও কমিশন পর্যালোচনা করবে।রাজ্য সরকার কমিশনকে আগামী ছয় মাসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ করার আগে একই পদে কর্মরত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামোও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে নতুন বেতন কাঠামোর অপেক্ষায় থাকা রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
রাজ্য

মাত্র তিন মাসে ফের মৃত্যু! খড়্গপুরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যাপকের ঝুলন্ত দেহ ঘিরে চাঞ্চল্য

খড়্গপুরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফের এক অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে আবারও ক্যাম্পাসে মৃত্যু ঘিরে উদ্বেগ বাড়ল। এবার এক অধ্যাপকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে কর্মী আবাসন থেকে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত অধ্যাপকের নাম দীপক রেড্ডি। তাঁর বয়স পঁচিশ বছর। তিনি বিদ্যুৎ প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। তাঁর বাড়ি হায়দরাবাদে। বুধবার ক্যাম্পাসের কর্মী আবাসনের একটি ঘর থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই আবাসনে তিনি একাই থাকতেন। কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন কি না, সেই দিক-সহ সমস্ত সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।উল্লেখ্য, চলতি বছরের এপ্রিল মাসেও একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুই ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল। প্রথমে এক তৃতীয় বর্ষের ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসে। পরে আর এক ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় হস্টেল থেকে। সেই ঘটনাগুলি নিয়ে তদন্ত এখনও বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।পরপর এই ধরনের মৃত্যুর ঘটনায় ক্যাম্পাসে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে বর্তমান ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনও পুলিশ বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কোনও চূড়ান্ত বক্তব্য জানানো হয়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ট্রাঙ্ক খুলতেই চোখ কপালে! কোটি কোটি টাকা আর তাল তাল সোনা উদ্ধারে তোলপাড় বীরভূম

বীরভূমের মহম্মদবাজারে এক পাথর ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও সোনা উদ্ধারের দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার অভিযানে একটি ট্রাঙ্ক থেকে বিপুল সম্পদ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া সোনার মূল্য দশ কোটিরও বেশি এবং নগদ টাকার পরিমাণ পাঁচ কোটিরও বেশি বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই অঙ্কের সরকারি নিশ্চিতকরণ এখনও সামনে আসেনি।স্থানীয় সূত্রের দাবি, মঙ্গলবার গভীর রাতে বিশাল পুলিশ বাহিনী ব্যবসায়ী মিনার মণ্ডলের বাড়ি ঘিরে ফেলে। এরপর শুরু হয় দীর্ঘ তল্লাশি অভিযান। সেই সময় বাড়ির ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার হয় বলে জানা যায়। এই বিপুল অর্থের উৎস কী, তা জানতে মিনার মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা।স্থানীয়দের দাবি, মিনার মণ্ডল এক সময় সরকারি বাসের চালক ছিলেন। পরে তিনি পাথর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হন। ধীরে ধীরে এই ব্যবসাতেই সক্রিয় হয়ে ওঠেন বলে এলাকায় প্রচলিত ধারণা।ঘটনাস্থলে এখনও পুলিশ এবং পদস্থ আধিকারিকরা রয়েছেন। তবে কোন মামলার ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়েছে এবং এই বিপুল সম্পদের সঙ্গে অন্য কোনও বেআইনি কর্মকাণ্ডের যোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। ফলে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তের দিকেই নজর রয়েছে।এই ঘটনার পর এলাকায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও সোনা দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে থাকলে তা আগে নজরে এল না কেন, সেই প্রশ্নও তুলছেন অনেকে। তবে এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি মন্তব্য সামনে আসেনি। তদন্ত শেষ হলে তবেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন। সেই পোস্ট ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর আগেই বেতন, সঙ্গে ২০% অতিরিক্ত ডিএ! উৎসবের মরশুমে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বড় সুখবর

পুজোর আনন্দের আগেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় ঘোষণা। উৎসবের মরশুম শুরু হওয়ার আগেই অক্টোবর মাসের বেতন হাতে পাওয়ার পাশাপাশি মিলবে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা (ডিএ)। মঙ্গলবার ভবানী ভবনে আয়োজিত এক সরকারি কর্মসূচিতে এমনই বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।এতদিন পর্যন্ত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অক্টোবর মাসের বেতনের সঙ্গে বর্ধিত ডিএ পাওয়ার কথা ছিল নভেম্বর মাসে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর নতুন ঘোষণায় সেই সময়সীমা এগিয়ে আনার ইঙ্গিত মিলেছে। অর্থাৎ, পুজোর মাসে উৎসবের আগেই সরকারি কর্মচারীদের হাতে পৌঁছতে পারে অক্টোবরের বেতন এবং ঘোষিত অতিরিক্ত ডিএ।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই অর্থসচিব এবং অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তাঁর নির্দেশ, পুজোর মাসে যাতে কর্মচারীরা উৎসবের আগেই অক্টোবর মাসের বেতন পান এবং একই সঙ্গে ঘোষিত ২০ শতাংশ অতিরিক্ত ডিএ-ও তাঁদের দেওয়া যায়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।সরকারি কর্মচারীদের ডিএ-র প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতার যে ব্যবধান রয়েছে, তা একসঙ্গে পূরণ করা সম্ভব নয়। ধাপে ধাপে সেই ব্যবধান কমানোর লক্ষ্যেই সরকার এগোচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিনের এই ব্যবধান একদিনে মেটানো সম্ভব নয়, তবে কর্মচারীদের বিষয়টি সরকারের নজরে রয়েছে।চলতি বছর বিধানসভা নির্বাচনের সময় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ-র ব্যবধান ছিল ৪২ শতাংশ বলে দাবি করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে রাজ্য বাজেটে অর্থমন্ত্রী ২০ শতাংশ অতিরিক্ত ডিএ দেওয়ার ঘোষণা করেন। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অক্টোবর মাসের বেতনের সঙ্গে নভেম্বর মাসে বর্ধিত ডিএ দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে মুখ্যমন্ত্রীর মঙ্গলবারের ঘোষণায় সেই অর্থপ্রদানের সময় এগিয়ে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।ফলে পুজোর আগে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের হাতে একসঙ্গে বেতন ও বর্ধিত ডিএ পৌঁছলে উৎসবের মরশুমে তাঁদের আর্থিক স্বস্তি অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পুজোর আগে বাড়তি খরচের সময়ে এই অতিরিক্ত অর্থ কর্মচারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।তবে শুধু ডিএ নয়, সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবিবেতন কমিশন নিয়েও এদিন সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, অন্যান্য রাজ্যে অষ্টম বেতন কমিশন চালুর প্রক্রিয়া শুরু হলেও রাজ্যে এখনও সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর হয়নি। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিশনের রিপোর্ট সরকারের হাতে এলেই তা কার্যকর করার বিষয়ে পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ফলে একদিকে পুজোর আগেই অক্টোবরের বেতন ও ২০ শতাংশ অতিরিক্ত ডিএ পাওয়ার সম্ভাবনা, অন্যদিকে সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করার আশ্বাসদুই ঘোষণাকে ঘিরেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। এখন নজর থাকবে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী পুজোর আগেই বেতন ও বর্ধিত ডিএ প্রদানের বিষয়ে অর্থ দফতর কী নির্দেশিকা জারি করে।

জুলাই ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal